Pages

Showing posts with label ভালবাসা. Show all posts
Showing posts with label ভালবাসা. Show all posts

Sunday, September 4, 2016

জেনে নিন পুরুষের শরীরের যে অঙ্গগুলো নারীরা খুব বেশি পছন্দ করেন!

http://banglanews2010.blogspot.com/
প্রতিটি পুরুষেরই জানতে ইচ্ছা করে যে তাদের শরীরের কোন কোন অঙ্গগুলোকে নারীরা অত্যাধিক পছন্দ করেন। এই বিষয়ে সম্প্রতি এক ছোট্ট গবেষণা করা হয়।






প্রতিটি পুরুষেরই জানতে ইচ্ছা করে যে তাদের শরীরের কোন কোন অঙ্গগুলোকে নারীরা অত্যাধিক পছন্দ করেন। এই বিষয়ে সম্প্রতি এক ছোট্ট গবেষণা করা হয়। গবেষণায় প্রায় ১০০ জন নারীকে এই প্রশ্নটি করা হয়ে থাকে যে পুরুষদের কোন কোন অঙ্গগুলো তাদের সবচেয়ে বেশি পছন্দের। তাদের উত্তরের আনুপাতিক গড় হিসেবে নিচের অঙ্গগুলোর কথা উঠে আসে। চলুন জেনে নেয়া যাক:
১. চওড়া কাঁধ :
বেশির নারীর মুখেই এই উত্তরটি শোনা যায় যে তারা পুরুষদের চওড়া কাঁধকেই অনেক বেশি পছন্দ করেন। তাদের ভাষ্যমতে যার কাঁধ যত বেশি চওড়া হবে সেই পুরুষ তত বেশি হট আর সুদর্শন।
২. চওড়া বক্ষ :
পুরুষদের আকর্ষণীয় অঙ্গের মধ্যে আরেকটি হল তাদের চওড়া বক্ষ। অনেক পুরুষ আছেন যারা জিমে গিয়ে অস্বাভাবিক দেহ তৈরি করেন। এই ধরনের পুরুষের দেহ নয় বরং যাদের প্রকৃতিগতভাবেই চওড়া বক্ষ রয়েছে তাদেরই পছন্দ করেন নারীরা। এছাড়া চওড়া বক্ষের অধিকারী এসব পুরুষের স্তনের গড়নও তাদের বেশ ভালো লাগে। তারা যখন ঘামেন তখন তাদেরকে অনেক বেশি আকর্ষর্ণীয় লাগে বলে অধিকাংশ নারীরা জানিয়েছেন।
৩. আকর্ষণীয় পেশী :
পেশীবহুল পুরুষকে যে কারও দেখতে ভালো লাগে। তবে তৈরি করা অস্বাভাবিক পেশী অনেক নারীই অপছন্দ করেন। নারীরা বলেন, পুরুষকে তখনই অনেক বেশি আকর্ষণীয় দেখায় যখন নাকি তার পেশীবহুল বাহু টি-শার্টের মধ্য দিয়ে ফুটে ওঠে।
৪. সুমিষ্ট ঠোঁট :
ঠোঁট যে শুধু নারীরই আকর্ষণীয় হয়ে থাকে তা নয় একজন পুরুষেরও ঠোঁট অনেক বেশি আকর্ষণীয় আর সুমিষ্ট হতে পারে বলে এমনটা মন্তব্য করেন অনেক নারী। তবে বেশিরভাগ নারীই চিকন ঠোঁটের অধিকারী পুরুষদেরই বেশি পছন্দ করেন।
৫. জিহ্বা :
অবাক হওয়ার কিছু নেই পুরুষদের অঙ্গ নিয়ে নারীদের পছন্দের তালিকায় জিহ্বাও রয়েছে। আবেগঘন চুম্বনে বা শারীরিক মিলনের সময়ে জিহ্বার ভূমিকা অসাধারণ। তাই নারীদের অনেকেই পুরুষের এই জিহ্বাকে বেশ পছন্দ করে থাকেন।
৬. স্বাস্থ্যকর হাত :
অনেক পুরুষই আছেন যাদের বয়সের তুলনায় হাতের স্বাস্থ্যের গড়ন ঠিকভাবে হয়নি। অর্থাৎ তাদের হাতগুলো অনেকটা অস্বাস্থ্যকর মনে হয়। নারীরা পুরুষদের এমন বাহু একেবারেই পছন্দ করেন না। তারা স্বাস্থ্যকর হাত পছন্দ করেন যেখানে কোনো অতিরিক্ত মেদও থাকবে না পাশাপাশি একেবারেও রোগাও হবে না।
৭. আকর্ষণীয় হিপ :
নারীদের হিপের সৌন্দর্যের পাশাপাশি পুরুষের হিপের সৌন্দর্য থাকাও উচিত। হিপের স্বাস্থ্য বেশি কমও না আবার বেশি মেদযুক্তও না এমন ধরনের হিপ নারীরা পছন্দ করে থাকেন। সুতরাং দেখা যায় যে পুরুষদের অঙ্গের মাঝে হিপকেও অনেক বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকেন নারীরা।
৮. স্বাস্থ্যকর যৌনাঙ্গ :
স্বাভাবিকভাবেই নারীদের পছন্দের সবচেয়ে আকর্ষণীয় পুরুষদের অঙ্গ হল স্বাস্থ্যকর যৌনাঙ্গ। ইঞ্চির হিসেবে এটিকে হতে হবে স্বাস্থ্যকর আর আকর্ষণীয়। যৌনাঙ্গের বিষয়ে নারীরা যে বিষয়গুলো চেয়ে থাকেন, লিঙ্গটি হতে হবে গন্ধমুক্ত, পরিস্কার, রোগমুক্ত আর উপভোগ্য শক্তিসম্পন্ন।

Monday, August 29, 2016

কার সুখ বেশি, পুরুষ নাকি নারী?

http://banglanews2010.blogspot.com/
‘মহাভারতে’ এই প্রশ্ন নিয়ে বেশ তোলপাড় হয়েছিল বলেই জানা যায়। এই বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছিল ভীষ্ম এবং যুধিষ্ঠীরের মধ্যে। জ্যেষ্ঠ পাণ্ডব প্রশ্নটি করেছিলেন শরশয্যায় শায়িত পিতামহকে।



গ্রিক পুরাণে একটা কাহিনি রয়েছে। দেবরাজ জিউস এবং দেবরাণি হেরার মধ্যে একবার এই নিয়ে তর্ক হয়, সঙ্গমে কার বেশি সুখ— পুরুষ না নারী? তর্কের মীমাংসা করতে তাঁরা তাইরেসিয়াস নামক এক দার্শনিক এবং ভবিষ্যকথকের দ্বারস্থ হন। তাইরেসিয়াস পড়েন ফাঁপরে। কাকে খুশি করবেন, স্থির করতে না পেরে খুব গেলমেলে একটা উত্তর দেন তিনি। জিউস এবং হেরা বুঝতে পারেন, তাঁদের ধোঁকা দিয়েছেন তাইরেসিয়াস। হেরা তাঁকে অন্ধত্বের অভিশাপ দেন। টাইরেসিয়াসকে দীর্ঘ অন্ধত্বের পর্ব কাটাতে হয়।
এই প্রশ্ন এ দেশের পুরাণে যে ওঠেনি, তা নয়। খোদ ‘মহাভারতে’ এই প্রশ্ন নিয়ে বেশ তোলপাড় হয়েছিল বলেই জানা যায়। এই বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছিল ভীষ্ম এবং যুধিষ্ঠীরের মধ্যে। জ্যেষ্ঠ পাণ্ডব প্রশ্নটি করেছিলেন শরশয্যায় শায়িত পিতামহকে। ভীষ্ম তাঁকে রাজা ভঙ্গাশ্যনের কাহিনি শোনান। এই কাহিনি অনুযায়ী, দেবরাজ ইন্দ্রের অভিশাপে ভঙ্গাশ্যন নারীতে পরিণত হন। তিনি একমাত্র ব্যক্তি, যিনি পুরুষ এবং নারী— উভয়ের সঙ্গম-সুখের অনুভূতি কেমন, তা জানতেন। পুরুষ ও নারী উভয় অবস্থাতেই তিনি সন্তানলাভ করেন। সেই সব সন্তানদের একাংশ তাঁকে বাবা ও একাংশ মা বলে সম্বোধন করত। ইন্দ্র তাঁকে যখন পুনরায় পুরুষ হতে অনুরোধ করেন, তখন তিনি নারী হিসেবেই থেকে যেতে চান। কারণ হিসেবে তিনি জানান, সঙ্গমে নারীর সুখই অধিক।
তাইরেসিয়াসের মিথের সঙ্গে ভঙ্গাশ্যনের মিথের যথেষ্ট মিল রয়েছে। অন্ধত্বের আগে তাইরেসিয়াসকেও একটা বড় সময় নারী হিসেবে কাটাতে হয়েছিল। দুই পুরাণ-কাহিনির মধ্যে এই আশ্চর্য মিল কি আপতিক? মিথ-বিশ্লেষকরা জানান, এই জিজ্ঞাসা যেহতু মানুষের চিরন্তন, সেহেতু মিল থাকা স্বাভাবিক। আবার এমনও হতে পারে, ‘মহাভারত’-এর কাহিনি সাগর পেরিয়ে পৌঁছেছিল গ্রিক ভুবনে। এই কাহিনিগুলির সঙ্গে মিল রয়েছে আইরিশ পুরাণেরও। কিন্তু প্রায় সবাই একই কথা বলে— সঙ্গমে নারীর সুখই অধিক।
তন্ত্র বা সহজিয়া দর্শনে নারীকে শক্তি হিসেবে দেখা হয়। দেহ-সাধনার ক্রিয়াগুলিতে নারীর যে সক্রিয় ভূমিকার কথা তারা বলে, তাতেও প্রতীতি হয় এই সত্য। শরীর-বিজ্ঞান এই নিয়ে স্পষ্ট কিছু না বললেও এটা বোঝাই যায়, স্ত্রী-অনুভূতির ভূবনে ‘ইতিহর্ষ’ এক প্রলম্বিত বিষয়। অথচ পুরুষের বীর্যধারণ তো মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যাপার!

চুমু কত রকম, জানেন? জেনে নিন ১৫টির নাম-ধাম

http://banglanews2010.blogspot.com/
জীবনের অত্যন্ত মধুর এক অভিজ্ঞতা হল চুমু। কাল চুম্বন দিবস। তার আগে দেখে নিন কত রকমের চুমু হয় পৃথিবীতে।
ফ্রেঞ্চ কিস
ঠোঁটের অন্দরে অন্দরে কথা হয় এই চুমুতে। জিভ ছুঁয়ে যায় মুখের ভিতরের জমি। এমন নামকরণের কারণ, বিশ শতকের গোড়ায় ফ্রান্সে এই ধরনের চুমু খাওয়া শুরু হয়েছিল। ফরাসীরা বরাবরই যৌনতায় নতুন ধরনের এক্সপেরিমেন্ট করতে ভালবাসে। সেখান থেকেই এই চুমু আর তার নামের উৎপত্তি।
এস্কিমো কিস
নাকে নাক ঘষে আলতো আদর। এই হল এস্কিমো কিস। প্রথম এই বিষয়টি সকলের নজরে পড়ে এস্কিমোদের জীবন নিয়ে ১৯২২ সালে তোলা রবার্ট ফ্লহার্টি-র পৃথিবীবিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘নানুক অফ দ্য নর্থ’-এ।
সিঙ্গল-লিপ কিস



একজনের ঠোঁটের ফাঁকে যখন আর একজনের ঠোঁট থাকে, অনেকটা স্যান্ডউইচের মতো, তখন তাকে বলে সিঙ্গল-লিপ কিস। প্রেমের প্রথমদিকে কাঁপা কাঁপা ঠোঁটে এমন কিস খুবই রোম্যান্টিক।
বাটারফ্লাই কিস
চুমু খাওয়ার সময় যদি দু’জনের চোখের পাতা ঠেকাঠেকি হয়ে যায় তবে প্রজাপতির পাখার মতোই ডানা ঝাপটায়। তেমন চুমুই হল বাটারফ্লাই কিস।
ম্যারাথন কিস
এমন চুমুর কোনও সময়জ্ঞান থাকে না। এ হল অনন্ত চুম্বন যার শুরু আছে কিন্তু কোনও শেষ নেই।
স্পাইডারম্যান কিস
স্পাইডারম্যান কীভাবে চুমু খায় বলুন তো? সে ঝোলে শূন্য থেকে উলটো হয়ে আর তার প্রেমিকা দাঁড়িয়ে থাকে মাটিতে। কিন্তু তাতে প্রেমের গভীরতার কোনও অভাব থাকে না। অভিনব নিঃসন্দেহে। শূন্যে ঝুলতে হবে না, বিছানায় শুয়েই এমন মিষ্টি চুমু খেতে পারেন।
লিপ গ্লস কিস
এ হল প্রেম-খেলার চুমু। সঙ্গীর ঠোঁটে লিপ গ্লস বা লিপস্টিক মাখিয়ে দেওয়া হয় আগে। তার পর মুহুর্মুহু চুম্বন যতক্ষণ না একজনের ঠোঁটের রং সম্পূর্ণভাবে চলে যায় অন্যজনের ঠোঁটে।
লিজি কিস
জিভ দিয়ে একে অপরের ঠোঁট লেহনই হল লিজি কিস। বেশ একটা কিংকি ভাব রয়েছে গোটা ব্যাপারটায়।

যে বয়সে যৌনজীবন হয়ে ওঠে সবচেয়ে রোমাঞ্চকর

http://banglanews2010.blogspot.com/
সবাই জানেন যে, বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে মানুষের যৌন আকাঙ্ক্ষা কমে আসে। কিন্তু কানাডার ইউনিভার্সিটি অব গুয়েলপ-এর বিশেষজ্ঞদের গবেষণায় উঠে এসেছে ভিন্ন ফলাফল। তাতে বলা হয়, বয়স ৪০-এর কোঠায় পৌঁছলেই যৌনজীবনটা হয়ে ওঠে আরো রোমাঞ্চকর।
এ গবেষণায় কানাডার ২৪০০ জন মানুষের ওপর জরিপ চালানো হয়। এদের সবার বয়স ৪০-৫৯ বছরের মধ্যে। তাদের যৌনস্বাস্থ্য, সুখের মাত্রা এবং তৃপ্তি সম্পর্কে তথ্য নেওয়া হয়। তাদের যৌন আচরণ ও উদ্দীপনাও বিবেচনায় আনা হয়।
প্রধান গবেষক এবং সেক্সুয়ালিটি অ্যান্ড রিলেশনশিপ রিসার্চার রবিন মিলহাউসেন জানান, মানুষের মনে সাধারণ এক ধারণা কাজ করে যে, বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে যৌনতা গুরুত্ব হারায়। এটি কম উপভোগ্য হয়ে ওঠে। তা ছাড়া ঘন ঘন করতেও আর ভালো লাগে না। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, মধ্যবয়সের শুরুতেই যৌনতা সবচেয়ে বেশি গভীরতা পায়। এতে তৃপ্তির মাত্রা চূড়ায় পৌঁছে। জরিপে এ তথ্যই পাওয়া গেছে। কানাডায় মধ্যবয়সীরাই তৃপ্তিকর যৌনতা উপভোগ করেন।





দেশটির সেক্স ইনফরমেশন অ্যান্ড এডুকেশন কাউন্সিল অব কানাডা (এসআইইসিসিএএন) এবং ট্রোজান নামের এক কনডম কম্পানির যৌথ গবেষণায় এসব তথ্য প্রকাশ পায়। যৌন আকঙ্ক্ষা বা তৃপ্তি বয়সের সঙ্গে কমে আসে না।
জরিপে দেখা গেছে, এ বয়সী মানুষরা তাদের শেষ যৌনকর্মকে সবচেয়ে তৃপ্তিকর বলে উল্লেখ করেছেন। এদের প্রত্যেকেই প্রাথমিক অবস্থায় নিজেদের মধ্যকার আবেগগত সম্পর্ক নিয়ে সন্তুষ্ট।
জরিপকৃতদের ৬৩ শতাংশই মনে করেন, বয়স্করা মনে করেন তারা যৌনতায় আরো নতুন নতুন বিষয় চেষ্টা করতে পারেন। আরেক তথ্যে বলা হয়, ৫৫-৫৯ বছর বয়সীদের ২২ শতাংশ পুরুষের এবং ২৬ শতাংশ নারীর লুব্রিকেন্ট ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে।
মিলহাউসেন জানান, সম্পর্ক এবং যৌনতার মধ্যকার তৃপ্তি একে অপরের সঙ্গে জড়িত। এ দুয়ের সমন্বয়েই তৃ্প্তিকর অনুভূতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে যায়।
এ ছাড়া বিবাহিত মানুষের জীবনে যৌন তৃপ্তি একাকীদের চেয়েও অনেক বেশি থাকে বলে জানানো হয় গবেষণায়।

Sunday, August 14, 2016

প্রথম প্রেমে ধাক্কা খেয়ে মেয়েরা যা করে

http://banglanews2010.blogspot.com/
প্রথম প্রেম তো প্রথমই, জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অভিজ্ঞতা। তার সঙ্গে কি কোনও কিছুর তুলনা চলে? তবে সত্যি বলতে কি, প্রথম প্রেম মোটেও আহামরি কিছু নয়। বরং বলা যায় সবচেয়ে গুরুত্বহীন। একটা বয়সে আমরা সকলেই প্রেমে পড়তে উদগ্রীব থাকি আর তখনই হুটহাট প্রেমটা ‘হয়ে যায়’। এবং সত্যি বলতে কি, পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষের প্রথম প্রেমটা কিন্তু সফল হয় না আর সেটা খুবই স্বাভাবিক। বরং প্রথম প্রেমটা হয় বেশিরভাগ মানুষের জন্যই একটা বিশেষ শিক্ষা।
জানতে চান কি, একটি মেয়ে প্রথম প্রেমে ধাক্কা খেয়ে কী কী শেখে?
১) প্রথম প্রেমেই শারীরিকভাবে বেশি ঘনিষ্ঠ হতে নেই: প্রথম প্রেমের ভুল থেকে মেয়েরা সকলের আগে এটাই শেখে। প্রথম প্রেম যেহেতু ব্যর্থ হবার সম্ভাবনাই বেশি থাকে, তাই শারীরিকভাবে ঘনিষ্ঠ হওয়া হচ্ছে এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভুল যার জন্য আজীবন পস্তাতে হতে পারে।






২) বিয়ে করতে হয় তাঁকেই, যে সন্তান ভালোবাসে: যে পুরুষ সন্তান ভালোবাসে না, তাঁর সঙ্গে প্রেম করেও লাভ নেই। কেননা সেই প্রেম কখনও বিয়ের দিকে যাবে না। সন্তান ভালোবাসেন না যে পুরুষেরা, তাঁরা বিয়েতেও আগ্রহী হন না সাধারণত।
৩) দেখতে সুন্দর হলেই ‘ভালো’ মানুষ হয় না: প্রথম প্রেমে মানুষের চেহারা বা বাহ্যিক সৌন্দর্যটাই সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। একটি ছেলে কেবল দেখতে সুন্দর, পেশীবহুল বা ওয়েল ড্রেসড- এটুকুর মানেই যে সে ভালো ও যোগ্য মানুষ, এই ধারণাটা মেয়েদের প্রথম প্রেমের পরেই ভাঙে।
৪) পুরুষের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য তাঁর ব্যক্তিত্ব ও বুদ্ধিমত্তা: একজন বুদ্ধিমান মানুষ মাত্রই তাঁর নিজস্ব একটি ব্যক্তিত্ব থাকবে। আর ব্যক্তিত্ববান ও রুচিশীল পুরুষ হচ্ছেন আদর্শ প্রেমিক ও স্বামী।
৫) আসলে আমি কেমন প্রেমিক চান: প্রথম প্রেমটা মানুষের ভুলই হয়ে থাকে। আর এই ভুলটা করেই মেয়েরা বুঝতে পারে যে আসলে কেমন স্বামী বা প্রেমিক চাই তাঁর।
৬) অশিক্ষিত পুরুষদের থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়: যে পুরুষ বই পড়ে না বা যাঁর পড়াশোনা নিয়ে আগ্রহ নেই- এমন পুরুষ যে প্রেমিক বা স্বামী হিসাবে মোটেও সুখকর নন, সেটা বুদ্ধিমতী মেয়েরা প্রথম প্রেমের পরেই বুঝে নেয়।
৭) বিয়ে তাঁকেই করতে হবে, যিনি আজীবনের সঙ্গিনী চান: বিয়ে কোনও ছেলেখেলা নয়। প্রেম-প্রেম খেলে বেড়ানো ছেলেরা মূলত চরিত্রহীন হয়। যিনি আসলেই বিয়ে করে সংসার পাততে চান, এমন মানসিকতার পুরুষের সঙ্গেই প্রেম করা উচিত।
৮) মন তাঁকেই দিতে হবে, যে মনকে যত্নে রাখবে: যাকে তাঁকে মন দিলে কি হবে? মন কি এতই সস্তা?
৯) কীভাবে ঝগড়া করতে হবে: আর কিছু হোক বা না হোক, কীভাবে ঝগড়ার সময় কৌশলী হতে হবে সেটা প্রথম প্রেমে মেয়েরা ভালোই শিখে ফেলে।
১০) ভালো তাঁকেই বাসা উচিত, যিনি ভালবাসতে জানেন: ভালোবাসা একটি সম্পূর্ণ দু’তরফা ব্যাপার। এটা তখনই সুন্দর যখন দু’জন মানুষ পরস্পরকে সমান ভালোবাসেন। এক তরফা ভালোবাসা কষ্ট ছাড়া কিছুই দেয় না।

Wednesday, August 10, 2016

কোন কারণে লায়লিকে পায়নি মজনু? জেনে নিন সেই ইতিহাসের কাহিনী

http://banglanews2010.blogspot.com/
কালজয়ী প্রেমকাহিনী লায়লি-মজনু। অসাধারণ এই প্রেমকাহিনীর আছে অসংখ্য সংস্করণ। তবে মূল কাহিনী প্রায় সব জায়গাতেই এক। ভিন্নতা শুধু কাহিনীর উপাদানে। কাহিনীর সব সংস্করণেই নায়ক-নায়িকার মাঝে দুস্তর ফারাক। এবং বেশির ভাগ কাহিনীতে নায়ক রাজপুত্র এবং কবি নায়িকা এক বেদুইন সর্দারের মেয়ে। আর লক্ষ্য করার মতো বিষয়টি হচ্ছে, মজনু তার ‘মজনু’ নামে যুগে যুগে দুনিয়াজুড়ে আলোচিত হলেও অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন ‘মজনু’ তার আসল নাম নয়। কয়েস (কায়েস) বিন ওমর নামের প্রাচীন আরবের বিখ্যাত এক কবি তিনি। তার জীবনের প্রেমকাহিনীর ছায়া থেকেই এর জন্ম। যাই হোক, লায়লির প্রেমে উন্মাদ হয়েছিলেন বলেই তার আরেক নাম মজনু (মজনু বা মাজনুন নামের অর্থটাও কিন্তু তাই- প্রেমন্মাদ।) এমনকি নির্ভরযোগ্য বেশ কিছু সংস্করণে নায়কের নাম ‘কয়েস’ই রাখা হয়েছে।
সংক্ষেপে লায়লি-মজনুর কাহিনী এ রকম- ছেলে কয়েসকে নিয়ে একটি সরাইখানায় আশ্রয় নিয়েছিলেন আল বাহরামের রাজ্যচ্যুত সুলতান অমর-বিন-আব্দুল্লাহ। সে সময় কয়েসের মন দেওয়া-নেওয়া হয় সর্দার আল মাহদির কন্যা লায়লির সঙ্গে। কয়েসের সব কবিতাই ছিল তার প্রাণপ্রিয় লায়লিকে নিয়ে। সুযোগ পেলেই সে কবিতা শোনাতে ভুলত না প্রিয়তমাকে। লায়লির ছিল মাত্রাতিরিক্ত পশুপ্রেম। লায়লির পোষা কুকুরটির নাম ছিল ‘ওজজা’। জিন্দান নামের আদরের একটি হরিণও ছিল লায়লির। অচিরেই কয়েস- লায়লির প্রেমের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়ায় বুরিদানের বদমাশ বাদশা নওফেল।
শিকারী নওফেলের তীরবিদ্ধ হয়ে মারা যায় জিন্দান। শোকে মুহ্যমান লায়লি অভিশাপ দেয় অবিবেচক নওফেলকে। এভাবেই নওফেল প্রথম দেখে লায়লিকে এবং মরিয়া হয়ে ওঠে অসামান্য রূপসী লায়লিকে পাওয়ার জন্য। শাহজাদা কয়েস আর লায়লির বিয়ের সব আয়োজন যখন সু-সম্পন্ন, দরবার কক্ষে যখন বসেছে শাদির মাহফিল তখন কোথা থেকে ছুটে আসে লায়লির প্রিয় কুকুর ওজজা। প্রেয়সি লায়লির জন্য ব্যাকুল কয়েস বাহ্যজ্ঞান হারিয়ে ‘এই মুখে তুই লায়লির পদচুম্বন করেছিস’ বলে চুমু খেয়ে বসে ওজজার মুখে। সঙ্গে সঙ্গে চারদিকে ছিঃ ছিঃ পড়ে যায়। সবাই বলতে থাকে শেষ পর্যন্ত বিয়ের আসরে বসে কুকুরের মুখে চুমু।



এ যে বন্ধ পাগল! এ ঘটনায় বেঁকে বসেন বাদশা স্বয়ং। ফলে বিয়ে ভেঙে যায়। তখন বাধ্য হয়ে শাদির মাহফিল থেকে ফিরতি পথ ধরে অপমানিত কয়েস। উপায় না দেখে সওদাগর আল মাহদি রাজি হয়ে যান কুচক্রী নওফেলের সঙ্গে লায়লির বিয়ে দিতে। এদিকে ভগ্ন হৃদয় কয়েস নিরুদ্দেশ হয়ে যায় মরুভূমিতে। ফুলশয্যার দিনে অবিশ্বাস্যভাবে ফলে যায় লায়লির দেওয়া অভিশাপ। নিজের হাতে পান করা শরবতের বিষক্রিয়ায় মারা যায় নওফেল। কুকুর ওজজাকে নিয়ে অন্ধকার রাতে পালিয়ে যায় লায়লি। প্রিয়তম কয়েসের ডাক ভেবে মরীচিকার পেছনে হন্য হয়ে ছুটতে থাকে সে। রাতে মরুভূমির লু হাওয়া মরুঝড় সাইমুমে রূপ নেয়। পরদিন পথচলতি কাফেলা বালির স্তূপের নিচে আবিষ্কার করে লায়লি, কয়েস আর কুকুর ওজজার লাশ।
সেদিন বিয়ের আসরে লায়লি প্রেমে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে কুকুরকে চুমু না খেলে এই প্রেমকাহিনীর ইতিহাস অন্যরকমও হতে পারত।

মেয়েরা প্রথম ছেলেদের দেখলে কোথায় নজর দেয় ! জানলে লজ্জা পাবেন (ভিডিও সহ)

http://banglanews2010.blogspot.com/
প্রথম দর্শন হয়তো কয়েক মুহূর্তের ঘটনা, কিন্তু এতেই নির্ধারিত হয়ে যেতে পারে সম্পর্কের গতিপথ। তাই একজন পুরুষ যদি জানেন যে, নারীরা পুরুষের ঠিক কোন বিষয়গুলো প্রথম দর্শনেই লক্ষ করেন, তা হলে সে বিষয়ে সচেতন থাকতে পারেন তিনি।আরও পড়ুনঃ এবার আবাসিক হোটেলে ধরা খেলেন প্রভা !
অনেক নারীই প্রথম দেখার কয়েক মিনিটেই একজন পুরুষকে মেপে ফেলার চেষ্টা করেন। দর্শনদারির ভিত্তিতেই এই মাপামাপি। উচ্চতা, ওজন এবং সামগ্রিক শারীরিক আকর্ষণীয়তার পাশাপাশি পুরুষের হাসি, রসবোধ ও আত্মবিশ্বাস লক্ষ করেন নারী। পুরুষের মনোদৈহিক যে ছয়টি বিষয় নারীরা প্রথম দেখাতেই লক্ষ করেন, সেগুলো হল-
শারীরিক আকৃতি
নারী প্রথমেই যা কিছু খেয়াল করেন সে তালিকার প্রথমদিকেই আছে উচ্চতা এবং ওজন। কোনো পুরুষ খুব বেশি লম্বা, মোটা বা খাটো হলে তাঁর এই শারীরিক গঠনের কারণে শুরুতেই তাঁর বিষয়ে একটা সিদ্ধান্তে চলে আসতে পারেন কোনো কোনো নারী। ফলে তাঁর অন্য মানবিক গুণাবলি লক্ষ করার বিষয়ে আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারেন একজন নারী। অবশ্য নারী তাঁর নিজের উচ্চতা এবং ওজনের নিরিখেই পুরুষের এই শারীরিক বৈশিষ্ট্যের গ্রহণযোগ্যতা বিচার করেন।


আকর্ষণী ক্ষমতা
চেহারার সৌন্দর্য হচ্ছে সেই গুণের নাম যা জন্মসূত্রে পাওয়া। কিন্তু কেবল সুন্দর হলেই তো হবে না। একজন পুরুষ নিজের কতটা যত আত্তি করেন, সেটা খেয়াল করেন নারী। চুল, নখ থেকে শুরু করে কাপড়চোপড় এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় রাখেন নারীরা। একজন পুরুষ যদি নিজের এইটুকু দেখভাল করতে না পারেন, তা হলে তাঁর অন্য গুণাবলি খুঁজে দেখার জন্য খুব একটা কষ্ট করতে রাজি হবেন না নারী। নিজেকে উপস্থাপনের শিল্পেই আকর্ষণী ক্ষমতা দেখানোর সুযোগ পেতে পারেন একজন পুরুষ।
মুখের হাসি
একনজরে দেখে নিয়ে মেপে ফেলার পর পুরুষের মুখের হাসি দেখার অপেক্ষায় থাকেন নারী। হাসবার ক্ষমতা, বিশেষত দেখা হওয়ার প্রথম কয়েক মিনিটের মধ্যেই পুরুষের হাসি নারীর কাছে একটা স্বাগত বার্তার মতো। অবশ্য হাসবার আগে মাথায় রাখতে হবে নিজের দাঁতের কথাও। অপরিচ্ছন্ন দাঁত নিয়ে কোনো নারীর সামনে হাসলে লাভের চেয়ে লোকসানই বেশি হবে। আর দাঁতের অন্য কোনো সমস্যা থাকলেও সেটা সারাতে দন্ত্য চিকিত্সকের কাছে ঘুরে আসাই ভালো।

Saturday, August 6, 2016

শতকরা ৬০ ভাগ ছাত্রী যে কারণে প্রেমিকের সঙ্গে বিছানায় যায় !

http://banglanews2010.blogspot.com/
ভারতে অপ্রাপ্ত বয়স্ক বালকরা পর্নো ছবিতে মারাত্মকভাবে আসক্ত হয়ে পড়েছে। এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই মেয়েরাও। তারাও পর্নো ছবিতে আসক্ত। তবে ছেলেদের তুলনায় কিছুটা কম। এক জরিপে দেখা গেছে, অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলেদের শতকরা ৬৬ ভাগ সপ্তাহে ৭ ঘন্টা পর্নো ছবি দেখে। এক্ষেত্রে মেয়েদের হার শতকরা ৩০ ভাগ। সপ্তাহে তারা গড়ে ৫ ঘন্টা পর্নো ছবি দেখে। রেসকিউ নামের একটি এনজিও প্রতিষ্ঠান। এর প্রধান নির্বাহী অভিষেক ক্লিফোর্ড ১৮৩টি কলেজের সাড়ে তিন হাজার শিক্ষার্থীর ওপর এ জরিপ পরিচালনা করেন।
এ সময়ে প্রতিটি কলেজে কিছু শিক্ষার্থীর একটি করে গ্রুপ করে তাদের কাছে প্রশ্ন রাখা হয়। সেসব প্রশ্নের উত্তরের উপর ভিত্তি করে তিনি ওই তথ্য দিয়েছেন। এ জরিপ করা হয়েছে বিদার, গাড়াগ, মহীসুর, চামারাজানাগার, মান্দ্যি, ধারওয়ার্ড, বেলাগাভি, ব্যাঙ্গালুরুতে। এখন চলছে ম্যাঙ্গালুরুতে। জরিপে দেখা গেছে, শতকরা ৩০ ভাগ ছেলে ভয়াবহ, উন্মত্ত পর্নো ছবি দেখে। এতে পাওয়া গেছে, সপ্তাহে গড়ে ১৯টি ধর্ষণ ঘটে।
প্রতি বছরে ধর্ষণ প্রত্যক্ষ করে ১৭ লাখ নতুন শিক্ষার্থী তাদের উচ্চ মাধ্যমিক পড়ার সময়ে। শতকরা ৮৪ ভাগ শিক্ষার্থী বলেছে, তারা ক্রমশ পর্নো ছবিতে আসক্ত হয়ে পড়ছে। শতকরা ৮৩ ভাগ শিক্ষার্থী বলেছে, পর্নো ছবির কারণে যৌনতাড়িত কর্মকান্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে। শতকরা ৭৪ ভাগ শিক্ষার্থী বলেছে, এ কারণে তারা নিষিদ্ধপল্লীতে যেতে বাধ্য হচ্ছে। অভিষেক বলেন, শিক্ষার্থীরা যখন টিনেজ বয়সে তখন তাদেরকে পর্নো ছবি দেখার ভয়াবহতা সম্পর্কে সতর্ক করা উচিত।



জরিপে দেখা গেছে, শতকরা ৩৭ ভাগ মেয়ে বলেছে পর্নো ছবি ক্ষতিকর নয়। বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কের কারণে কেউ যদি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে তাহলে গর্ভপাত একটি যথার্থ প্রক্রিয়া। অভিষেক বলেন, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ইন্টারনেটে কি দেখছে সেদিকে লক্ষ্য রাখা উচিত পিতামাতাকে। পর্নো সাইট ব্লক করে রাখার জন্য তাদের উচিত প্যারেন্টাল সফটওয়ার ব্যবহার করা।
এক কলেজের অধ্যক্ষ বলেছেন, আমরা ছেলেদের সঙ্গে মেয়েদের কথা বলতে দিই না। তবে জরিপে দেখা গেছে শতকরা ৬০ ভাগ ছাত্রী তার বয়ফ্রেন্ডের শয্যাসঙ্গী হয়েছে।

Saturday, July 30, 2016

মাত্র দুটো জিনিসেই পুরুষের জন্য পাগল মেয়েরা

http://banglanews2010.blogspot.com/
রূপসী মেয়েদের জন্য যেমন পাগল পুরুষরা ঠিক তেমনি পুরুষদের জন্যও পাগল মেয়েরাও।  তবে মাত্র দুটো জিনিস চাই।  দুটো জিনিসের একটি ঘাটতি হলে কিন্তু মহাবিপদ।  সেজন্য আগেভাগেই মাথায় রাখতে হবে পুরুষদের।

একজন নারী তার স্বামীর সংসারে এসে দুটো জিনিসে সবথেকে বেশি খুশি হয়। প্রথমত স্বামীর
ভালো অর্থনৈতিক অবস্থা দেখলে, দ্বিতীয়ত স্বামীর কাছ থেকে পাওয়া ভালবাসায়।
তবে প্রথমটার থেকে দ্বিতীয়টাই মহিলাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।  প্রত্যেক স্বামীরও উচিত নিজের স্ত্রীকে পরিপূর্ণ সুখ দেয়া।  অনেক পুরুষ জ্ঞানের অভাবে স্ত্রীকে এ দুটো জিনিস দিতে পারে না।  ফলে যা হবার তাই হয়।
তবে এ জন্য মাথা খারাপ করলে চলবে না।  জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে হবে পুরুষকে।  দাম্পত্য জীবনে সুখি হতে চাইলে দুটি জিনিসে ঘাটতি রাখা যাবে না।  এ জন্য পুরুষদের হিসাব কষে এগুতে হবে।  কোনো অবস্থাতেই এ দুটো দুর্বলতা নিয়ে রূপসীর প্রেমে পড়বেন না।  তাহলে কিন্তু কেল্লা ফতে।

Monday, July 25, 2016

বিয়ের প্রথম রাতে নারী-পুরুষ উভয়েই মনে রাখবেন যে বিষয়গুলো

দাম্পত্য কোন একদিনের বিষয় না, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দাম্পত্য আজীবনের। সকলে এই প্রত্যাশা নিয়েই বিবাহ করেন যে পাশের মানুষটি জীবনসঙ্গী হয়ে থাকবেন চিরকাল। আর এই চিরস্থায়ী সম্পর্কের সূচনা হয় বিয়ের রাতেই। আজকালকার আধুনিক প্রজন্মের কাছে শুনতে যতই হাস্যকর মনে হোক না কেন, বিয়ের প্রথম রাত বা ফুলশয্যার রাতটি যে কোন দম্পতির জীবনের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ রাত। আর এই সুন্দর রাতটিতেই নিজেদের বন্ধনকে মজবুত করে নিতে হয় চিরকালের জন্য। চলুন, জেনে নিই এমন ১০টি জিনিস যা বিয়ের প্রথম রাতে ভুলে গেলে চলবে না মোটেও।
১) বিয়ের প্রথম রাতের সাথে যৌনতা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তবে হ্যাঁ, এই যৌনতার জন্য কোন মানসিক চাপ নেবেন না। এমন নয় যে যৌন মিলন আজ রাতে হতেই হবে। বিয়ের অনুষ্ঠানগুলো টানা থাকার কারণে বর ও বউ উভয়েই ক্লান্ত হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক। এবং সেই ক্লান্তি এসে থাকলে বরং বিশ্রাম নিন। নিজেদের প্রথম যৌন অভিজ্ঞতাটি সুন্দর করে তুলতে সহায়তা হবে।
২) প্রথম রাত ও প্রথম যৌন মিলনের ব্যাপারটি নিয়ে নারীদের মনে অনেক ধরণের ভীতি কাজ করে। যদি খুব বেশি নার্ভাস বোধ করেন বা খুব অস্বস্তি লাগে, তাহলে স্বামী উদ্যোগী হলে তাকে ব্যাপারটা বুঝিয়ে বলুন। তিনি এখন আপনার জীবন সঙ্গী। আপনার সকল সমস্যা তাঁকেই বুঝতে হবে।
৩) স্বামীরাও যৌন মিলনের জন্য তাড়াহুড়া করবেন না, এতে আপনার সম্মান খুন্ন হবে এবং স্ত্রী ভেবে বসতে পারেন যে কেবল যৌনতা নিয়েই আগ্রহী আপনি। স্ত্রী এখন আপনার, যৌনতার জন্য বাকি জীবন পড়ে আছে। প্রথম রাতে স্ত্রী চোখে নিজেকে একজন মার্জিত পুরুষ প্রমাণ করুন তাঁর ইচ্ছার মূল্য দিয়ে।
৪) বিয়ের প্রথম রাতটি আরও কখনোই ফিরে আসবে না জীবনে। তাই এই রাতের জন্য কিছু বিশেষ রোমান্টিক প্ল্যান অবশ্যই রাখুন। নিদেন পক্ষে কিছু উপহার কিনে রাখুন সঙ্গীর জন্য, রোমান্টিক কবিতা মুখস্ত করে রাখতে পারেন, ঘরে রাখতে পারেন গান শোনার ব্যবস্থা।



৫) বিয়ের রাতেই হানিমুনের জন্য রওনা হওয়া একটা বাজে প্ল্যান। আনন্দ তো হবেই না, বরং অযথা বাড়বে ক্লান্তি।
৬) বিয়ে প্রেমের হোক বা পারিবারিক, বিয়ের রাতে অবশ্যই সঙ্গীকে জানান যে তাঁকে আপনি কীভাবে ভালোবেসে ফেলেছেন এবং এখন থেকে আপনার জীবন কেবল তাঁকে ঘিরেই।
৮) একটা জিনিস মনে রাখবেন, এটাই আপনাদের নতুন জীবনের প্রথম পর্ব। তাই এই রাতে এমন কিছু বলবেন না বা করবেন না, যাতে জীবনের সূচনা পর্বেই সব গড়বর হয়ে যায়।
৯) স্বামী বা স্ত্রীর অতীত প্রেম নিয়ে জেরার করার কুৎসিত কাজটিও বিয়ের রাতে করতে যাবেন না। যা গিয়েছে, তা গিয়েছে। সেটার জন্য নিজেদের জীবনের সবচাইতে সুন্দর সময়টিকে নষ্ট করবেন না ভুলেও।
১০) হ্যাঁ, পরস্পরের পরিবারকে যে দুজনের খুবই ভালো লাগবে এমন কোন শর্ত নেই। কিন্তু সেটা নিয়েই বিয়ের রাতে আলোচনা করার মানে নেই। অনুষ্ঠানে কী হলো বা হলো, কে কী উপহার দিল, কে কী করেছে এগুলো নিয়ে কথা বলার জন্য বাকি জীবন আছে।
মোট কথা এই যে, বিয়ের প্রথম রাতটি কেবলই প্রেমের। পরস্পরকে জানার, বোঝার ও ভালোবাসার জন্য। এই রাতটি কিছুতেই হেলায় হারাবেন না।

যে গুণের মেয়েদের বিয়ে করলে সুখী হবেন

বিয়ের বয়স হচ্ছে বিয়ে করতে হবে। আজ হোক আর কাল হোক কাউকে না কাউকে জীবনসঙ্গীনী করে ঘরে তুলতে হবে। জীবনের বাকি সময় যার সাথে কাঁটাবেন সে কেমন হবে? তা জানব আজকে… হ্যাঁ , অনুমান অনেক ক্ষেত্রে কাজে লাগে , কিন্তু সবক্ষেত্রে অনুমান সঠিক হয় না । উদাহরণ স্বরূপ: মেয়েরা অনুমান করে যে তাকে যত সুন্দর দেখাবে , ছেলেরা তাকে তত পছন্দ করবে। অনুমানটি অনেকাংশে সত্যি, কিন্তু সৌন্দর্য ছাড়াও , আরও অনেক কিছু আছে , যা ছেলেরা পছন্দ করে। আর, একজন ছেলেই ভালোভাবে জানে – একজন মেয়ের কোন কোন বৈশিষ্ট্যগুলো তার ভাল লাগে । এখানে কিছু বৈশিষ্ট্যের কথা বলব যা সাধারণত ছেলেরা পছন্দ করে, মেয়েদের কাজে লাগতে পারে।
১.সরলতা : ছেলেরা সাধারণত সহজ –সরল মেয়েকে পছন্দ করে । যদিও ছেলেরা খুব ভাবুক/ফ্যাশনেবল মেয়েদের সাথে মেশে এবং তাদের প্রতি অনেক উৎসাহী হয় তবুও তাদের সাথে প্রেম করে না বা প্রেম করলেও তা শুধু মাত্র সময় কাটানোর জন্য করে। কারণ , প্রত্যেকটি ছেলেই চায় – তার প্রেমিকা বা বউ খুবই সহজ সরল হবে । মেয়েদের যেমন সহজাত চাওয়া- তার স্বামী বা প্রেমিক অনেক স্মার্ট এবং সুপুরুষ হবে তেমনি এটাও ছেলেদের একটি সহজাত চাওয়া এবং স্বভাব ।



২. নিরবতা এবং কোমলতা : ছেলেরা সাধারণত সেইসব মেয়েকে অনেক বেশি পছন্দ করে যারা বেশিরভাগ সময় নিরব ও চুপচাপ থাকে, অনেক আস্তে আস্তে কথা বলে, অনেক নরম স্বভাবের । যেসব মেয়ে অনেক চিল্লা-পাল্লা করে, অনেক বেশি লাফ-ঝাপ করে বেড়ায়, কাজ কর্মে কোন পরিপাটি নেই, তাদেরকে ছেলেরা পছন্দ করে না। উদাহরণ স্বরূপ: একটা ছেলে ক্লাবে গিয়ে শৃঙ্খলহীন মেয়েদের সাথে নাচানাচি করলেও , তাকে সে কিন্তু বিয়ে করবে না বা তার বউকে ক্লাবে ওরকমভাবে নাচতে দিবে না। শুধু ছেলেরাই নয়, নরম স্বভাবের মেয়েদেরকে সবাই পছন্দ করে।
৩.ফ্রেন্ডলীনেস ও হাসিখুশি ভাব : নরম স্বভাবের মানে এই নয় যে কারো সাথেই কথা বলে না। নরম স্বভাবের মানে হলো কারো সাথে গায়ে পরে অপ্রয়োজনীয় কথা বলে না, কিন্তু কেউ যদি নিজে থেকে এসে কিছু জিজ্ঞেস করে তবে অবশ্যই বলে। অর্থাৎ মিশুক কিন্তু গায়ে পড়া নয়। এটা ছেলেদের একটি স্বভাব যে -যেসব মেয়েরা তাদের সাথে গায়ে পরে কথা বলতে আসে, তাদেরকে তার তেমন গুরুত্ব দেয় না। আবার যে সকল মেয়েকে নিজে থেকে জিজ্ঞস করার পরও তারা উত্তর দেয় না , ছেলেরা তাদেরকে অহংকারী ভাবে । তাই, বোনেরা , এক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে।
৪. শিক্ষা : একটা সময় ছিল যখন মেয়েদের শিক্ষার ব্যাপারটি ছেলেদের পছন্দের ক্ষেত্রে কোন ভূমিকা রাখত না। কিন্তু , যুগের পরিবর্তনে , শিক্ষা ছেলেদের পছন্দের ক্ষেত্রে অন্যতম নিয়ামক। যেমন: গার্মেন্টস এর একটা মেয়ে হাজার সুন্দরী হলেও, তার থেকে কম সুন্দরী একজন শিক্ষিত মেয়ের চাহিদা বেশি, অন্তত শিক্ষিত ছেলেদের কাছে ।

৫. স্মার্টনেস : ছেলেরা স্মার্ট মেয়েদেরকে পছন্দ করে। স্মার্ট মানে যে ভীষণ ভাব নিয়ে চলতে হবে তা নয়, স্মার্ট মানে কাজে-কর্মে স্মার্ট। অর্থাৎ তাকে যে কাজটি করতে দেয়া হয়, সে কাজটিই সে বুদ্ধি দিয়ে সুন্দর করে গুছিয়ে করে।
৬. সততাঃ মেয়েরা ছেলেদের সাথে সত্যি কথা বলে না এবং কথা দিয়ে কথা রাখে না, ছলনা করে – ছেলেরা সাধারণত এটাই ভাবে। তাই যেসকল মেয়ে তাদের কথায় কাজে সৎ এবং কথা দিয়ে কথা রাখে ছেলেরা তাদেরকে বেশি পছন্দ করে।
৭. অন্যের প্রতি যত্নবান : ছেলেরা এমন একজনকে মনের মানুষ হিসেবে চায় যে তাকে অসুস্থতার সময়, বিপদের সময়, যত্ন নেবে, আদর করবে। তাই যেসকল মেয়েরা অন্যের সেবা করার ব্যাপারে উৎসাহী এককথায় মমতাময়ী , তাদেরকে ছেলেরা অগ্রাধীকার দেয় বেশি।
৮.পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা : পরিষ্কার –পরিচ্ছন্ন মানুষকে সবাই পছন্দ করে , ছেলেরাও এর ব্যাতিক্রম নয়। অপরিষ্কার অধিক সুন্দরী মেয়ের চেয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কম সুন্দরি মেয়েরও দাম বেশি। যেমন : মেয়েরা অনেক সময় রূপচর্চা বেশি করতে গিয়ে মুখে ব্রণ বাঁধিয়ে ফেলে। মনে রাখতে হবে যে – ব্রণযুক্ত ফরসা মুখের চেয়ে ব্রণহীন শ্যামলা মুখের চাহিদা বেশি-এটা সব ছেলেদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য । ৯. চারিত্রিক বিশুদ্ধতা : উপরের সবকিছুর থেকে এটি সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ । আপনার রুপ , গুণ , মেধা সবই বিফলে যাবে যদি আপনার চারত্রিক বিশুদ্ধতা রক্ষিত না থাকে। একটা ছেলের কাছে সবকিছুর থেকে একটা মেয়ের চরিত্র সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ ।
কোন মেয়ের চরিত্র খারাপ হলে কখনোই তাকে বিয়ে করে সুখী হওয়া যায় না। এটা ছেলেরাসহ সবাই বিশ্বাস করে। তাই চারিত্রিক বিশুদ্ধতা রক্ষা করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ । বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায়- সুন্দরী মেয়েদের চরিত্র খারাপ হয় । তাদের প্রতি আমার অনুরোধ- প্লিজ , চরিত্রকে নষ্ট করে নিজের মনের সৌন্দর্যকে নষ্ট করবেন না, এতে আপনার বাইরের সৌন্দর্যের কোন মূল্য থাকবেনা। সৌন্দর্য্য সৃষ্টিকর্তার দান, তাই এই দানকে ব্যবহার করে প্রেমের নামে মন নিয়ে খেলবেন না, প্রেম নিয়ে খেলা নয় প্রেমকে পুজা করতে শিখুন। তাছাড়া আপনার চরিত্র নষ্ট হওয়ার কারণে হয়তো আর একটা ছেলে ( আপনার স্বামী বা প্রেমিক) কোন না কো-

ভালোবাসার নারীর যে ৫টি গুণে ঈর্ষা করেন পুরুষেরা!

আপনি কি আপনার প্রেমিকের হিংসার পাত্র? কী, অবাক হচ্ছেন? অবাক হওয়ার কিছু নেই। কারণ খুব তুচ্ছ কারনেও আপনার প্রেমিকের মনে আপনার প্রতি ঈর্ষাবোধ সৃষ্টি হতে পারে। প্রেমিকার সাফল্যে খুশি হওয়ার বদলে অনেক প্রেমিকই তা সহজভাবে নিতে পারেন না। ফলে মনের গভীরে সৃষ্টি হতে পারে ঈর্ষার ক্ষত। এই ঈর্ষা মুখে প্রকাশ না করলেও আচার আচরণে প্রকাশ পেয়ে যায় এবং তা সম্পর্কের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
নারীরা কখনো তার একান্ত পুরুষটির সফলতায় ঈর্ষা বোধ না করলেও, কেন যেন বেশিরভাগ পুরুষই প্রেমিকা বা স্ত্রীর কিছু বিশেষ সফলতায় ঈর্ষা বোধ করেন। কারণ গুলো এত অদ্ভুত যে শুনলে বিস্মিত হবেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এর পেছনে থাকে অনিরাপদ বোধ করা, হারানোর ভয়, কিংবা পুরুষসুলভ ইগো। আসুন, আরেকটু জানা যাক।
বেশি আয়
সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কারণটিই হচ্ছে উপার্জন বেশি হওয়া। প্রেমিকার/স্ত্রীর বেশি আয় পুরুষের মনে নিশ্চিতভাবেই কমবেশি ঈর্ষার উদ্রেক হয়। সাধারণত আমাদের দেশের পুরুষরা নারীর চাইতে বেশি আয় করতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। তাই নারীর আয় পুরুষ সঙ্গীর চাইতে বেশি হলে সেটা পুরুষরা স্বাভাবিক ভাবে মেনে নিতে পারে না এবং মনে মনে ঈর্ষা বোধ করে।
যোগ্যতা
শিক্ষাগত কিংবা কর্মক্ষেত্রের যোগ্যতা নিয়ে প্রেমিক-প্রেমিকার মাঝে হিংসার উদ্রেক হতে পারে খুব স্বাভাবিক ভাবে। প্রেমিকার শিক্ষাগত যোগ্যতা, গুন কিংবা কর্মক্ষেত্রের সফলতা দেখে মনে মনে হিংসা করে অনেক প্রেমিকই। মুখে স্বীকার না করলেও ছেলেরা কখনোই এটা মেনে নিতে পারে না যে প্রেমিকা বা স্ত্রী তার চাইতে অধিক শিক্ষিত বা অধিক ভালো পেশায় নিয়োজিত।
সৌন্দর্য্য
সকল পুরুষই চায় তার সঙ্গীনি সুন্দর হোক। কিন্তু এই সৌন্দর্যই আবার হয়ে উঠতে পারে পুরুষের ঈর্ষার কারণ! ধরুন, প্রেমিকা বা স্ত্রী অনেক সেজেগুজে একটি পার্টিতে গিয়েছেন। বন্ধুমহলে সব প্রশংসা কুড়িয়ে নিচ্ছেন, সকলেই তার তারিফ করছে। এক্ষেত্রে পুরুষেরা প্রবল ভাবে ঈর্ষা কাতর হয়ে পড়েন। বেশি সুন্দরী স্ত্রী বা প্রেমিকা নিয়ে অনেক পুরুষই বেশি বাইরে ঘোরাফেরা করতে চান না, বা বন্ধুদের সামনে নিতে চান না এই কারণে।
সামাজিক মর্যাদা
বন্ধুদের কাছে, পরিবারের কাছে কিংবা সমাজের অন্য সব মানুষের কাছে আপনি অনেক জনপ্রিয়? আপনার এই জনপ্রিয়তাই আপনার প্রেমিক বা স্বামীর মনে সৃষ্টি করতে পারে ঈর্ষা। আপনার সঙ্গী হয়তো তার মনের অজান্তেই আপনার সাথে ঈর্ষা করা শুরু করে দিয়েছে। বেশিরভাগ পুরুষই এটা সহ্য করতে পারেন না যে তার প্রেমিকা বা স্ত্রী তার চাইতে অধিক জনপ্রিয়, সামাজিক বা পারিবারিক মর্যাদায় উঁচু। এইসব ব্যাপারে ঈর্ষার বশবর্তী হয়ে অনেক পুরুষই সঙ্গিনীকে কটু বাক্য বলতেও দ্বিধা করেন না।
বন্ধুত্ব
আপনি বন্ধুদের নিয়ে অনেক হইহল্লা করতে ভালোবাসেন? আপনার সঙ্গীও হয়তো বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে খুব ভালোবাসে। কিন্তু আপনি যদি আপনার প্রেমিককে ছাড়া বন্ধুদের নিয়ে আনন্দফূর্তিতে মেতে ওঠেন, তাহলে এটা নিয়ে ঈর্ষা তিনি অবশ্যই করবেন। প্রেমিকা বা স্ত্রীর আলাদা একটি বন্ধু মহল যে থাকতেই পারে এটা পুরুষেরা কিছুতেই মেনে নিতে পারেন না। খুব কম পুরুষই সঙ্গিনীর বন্ধুদের নিয়ে প্রশ্ন তোলেন না।

চুম্বন নিয়ে দশটি মজাদার তথ্য!

  • একটি সাধারণ চুম্বনে প্রতি মিনিটে ২৫ ক্যালোরি এবং গভীর চুম্বনে ১০০ ক্যালোরি পর্যন্ত শক্তি প্রয়োজন!
  • চুম্বন নিয়ে উচ্চশিক্ষা বা বিস্তারিত পড়াশোনাকে Philematology বলে!
  • প্রেমিক-প্রেমিকাদের মস্তিস্কে এক ধরনের নিউরোন থাকে যা তাঁদেরকে অন্ধকারেও একজন আরেকজনের ঠোঁট খুজে পেতে সাহায্য করে!
  • বিশ্বের দীর্ঘতম চুম্বনের রেকর্ড হচ্ছে ৩৩ ঘন্টা ১৮ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডের! যা তৈরি হয়েছিল ২০১০ সালের ভ্যালেন্টাইনস ডে তে। চুম্বনরত প্রেমিকযুগলকে পরে হাসপাতালে বাড়তি অক্সিজেন দিয়ে চিকিৎসা করাতে হয়েছিল।
  • সিনেমার পর্দায় সবচেয়ে দীর্ঘ চুম্বনের রেকর্ড হচ্ছে ৩ মিনিট পাঁচ সেকেন্ডের। সিনেমার নাম “You’re in the Army Now” (১৯৪১ সালের)।
  • ৫ ফেব্রুয়ারি হল আন্তর্জাতিক চুম্বন দিবস।
  • মূল ধারার সিনেমায় সবচেয়ে বেশি চুমুর রেকর্ড ১২৭ বার। Don Juan (১৯২৭ সালের) সিনেমায়!
  • আমরা যেটাকে ‘ফ্রেঞ্চ কিস’ হিসেবে জানি ফ্রান্সে তার নাম Embrasser Avec la Langue ।!
  • পুরুষদের কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে আকর্ষনীয় ঠোট অ্যাঞ্জেলিনা জোলির!
  • চুমু খেতে ভয় পান? তবে আপনার Philematophobia হয়েছে!

Sunday, July 24, 2016

যে পাঁচটা গুণ থাকলে ছেলেদের ভালবেসে ফেলে মেয়েরা

মেয়েদের মন বোঝা ভারী কঠিন। তবু একটু সরলীকরণের রাস্তায় হাঁটলে এই পাঁচটা গুণ থাকলে ছেলেদের ভালবেসে ফেলে মেয়েরা।
১) যারা মনের জোর বাড়াতে পারে
মেয়েরা চায় এমন কোনও পুরুষকে যারা পাশে থেকে মনের জোর বাড়াতে পারে। মেয়েদের মনের জোর অনেক। কিন্তু সেই মনের জোর আরও বাড়ানোর জন্য পাশে কাউকে পেলে সে অনেক বড় কিছু করতে পারে। মেয়েরা চায় সব পরিস্থিতিতে এমন কোনও পুরুষ থাকুক যারা তাদের মনের জোর বাড়াবে।
 ২) লেখক, কবি, চিত্রকর অথবা শিল্পী
মেয়েরা সৃজনশীল বা ক্রিয়েটিভ মানুষদের বেশি পছন্দ করে। যে কারণে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারদের চেয়ে লেখক, কবি, চিত্রকর বা পরিচালক-অভিনেতাদের প্রেমিকার সংখ্যা সাধারণত বেশি হয়। আসলে মেয়েদের একটা আলাদা জগত্‍ থাকে, সেই জগত্‍টা সৃজনশীলতার, নতুন কিছু করার। তাই সৃষ্টিশীল মানুষদের সঙ্গে মিশলে মেয়েরা বাড়তি অক্সিজেন পায়, প্রেমেও পড়ে।
৩) যে আমাকে আমার মত থাকতে দেয়
একজন মেয়ে চায় সে তার মত থাকবে। অবশ্য নিয়মশৃঙ্খলা মানবে, কিন্তু কোনও কিছু চাপিয়ে দেওয়া নয়। যার সঙ্গে কথা বলতে ভাললাগে, তার সঙ্গে কথা বলবে, মিশবে। যা খেতে-পরতে ভাললাগে তাই করবে। তুমি এটা করো না, ওটা করো না, এর সঙ্গে কথা বলো না। এসব কথা শুনতে মেয়েরা ভালবাসে না। রাজপুত্র আর রাক্ষুসীর গল্পটি মনে করুন, দেখবেন মেয়েদের পছন্দ বুঝতে পারবেন।
৪) ভাল শ্রোতা, স্পষ্ট বক্তা
মেয়েরা বলতে খুব ভালবাসে। সমীক্ষা বলছে, ছেলেদের থেকে মেয়েরা সাধারণত ভাল বক্তা হয়। মেয়েরা চায় একজন ভাল শ্রোতা। তবে সবসময় হ্যাঁ-তে হ্যাঁ, না তে না বলা নয়, মেয়েরা চায় তার পুরষ সঙ্গিটি যেন ভাল শ্রোতা হয়ে কথার রসদ জোগান। ভাল শ্রোতার পাশাপাশি স্পষ্ট বক্তা ছেলেদের, মেয়েরা বেশি পছন্দ করে। পেটে এক আর মুখে আরেক সেরকম পুরুষ মেয়েদের পছন্দ নয়।



৫) যে কোনও পরিস্থিতিতে যার হাসানোর ক্ষমতা থাকে
মেয়েরা চায় সেন্স অফ হিউমার বা কৌতূকবোধ থাকা ছেলেদের সঙ্গে বেশি সময় কাটাতে। গুরুগম্ভীর নয় মুখে সবসময় হাসি থাকা মানুষই মেয়েদের কাছের লোক হয়। কোনও মেয়ে কোনও ছেলেকে ভালবাসলে তার প্রাথমিক শর্ত ছেলেটার মুখের হাসিটা। আর তার হাসানোর ক্ষমতাটা। বুদ্ধিদীপ্ত কিছু হাসির কথা, কিংবা সঠিক সময়ে মজার কিছু কথা বলে ফেলা পুরুষদের মেয়েরা নিজের অজান্তেই পছন্দ করে ফলে। তারপর সেই পছন্দটা ভাললাগায় পরিণত হতে পারে।
নানা ধরনের সমীক্ষা বলে এসবের পাশাপাশি সাধারণত অর্থবান, সফল, শিক্ষিত ও দীর্ঘকায় পুরুষদের পছন্দ মেয়েদের।

Wednesday, July 20, 2016

পুরুষের যে গুণটিকে চেহারার চেয়েও গুরুত্ব দেয় নারীরা

নারী কিংবা পুরুষ উভয়েরই কাউকে পছন্দ করার ক্ষেত্রে কিছু নিজস্ব রীতি রয়েছে। কাউকে পছন্দ করার ক্ষেত্রে কোন বিষয়গুলো নারী গুরুত্ব দেয়, তা নিয়ে একটি গবেষণা করা হয়েছে। এতে উঠে এসেছে এমন কিছু বিষয়, যা আগে জানা যায়নি।
এ গবেষণার জন্য নারীদের বিভিন্ন ধরনের পুরুষের ছবি দেখানো হয় এবং তা থেকে কাদের ভালো লাগে তা জানাতে বলা হয়। তাদের ছবির পেছনের কাহিনী ছিল মূল কৌশল। বিভিন্ন ছবিতে তুলে ধরা হয় তাদের কেউ গৃহহীন মানুষকে সাহায্য করছে কিংবা পানি থেকে শিশুকে উদ্ধার করছে।
বিভিন্ন ধরনের পুরুষের ছবি দেখিয়ে তা থেকে নারীদের দীর্ঘস্থায়ী সঙ্গী হিসেবে কাউকে বেছে নিতে বলা হয়। এতে দেখা যায়, নারীরা কল্যাণ কাজে নিয়োজিত পুরুষদের পছন্দ করে।

 এ গবেষণায় আরেকটি বিষয় ছিল চেহারা কিংবা শারীরিকভাবে আকর্ষণীয় পুরুষের সঙ্গে গুণের তুলনা করা। আদর্শ মানুষ অবশ্য শারীরিকভাবে আকর্ষণীয় এবং গুণবান উভয়ই হতে পারে। কিন্তু নারীরা কোন বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়, তা দেখাও ছিল গবেষকদের উদ্দেশ্য। এতে দেখা যায়, শারীরিক আকর্ষণের তুলনায় গুণ নারীরা শেষ পর্যন্ত বেছে নেয়। এক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তবে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক নয় বরং শুধু সম্পর্ক গড়ার ইচ্ছা থাকলে তা আকর্ষণীয় পুরুষদের সামান্য ওপরে রেখেছে। তবে উভয় বিষয় বিবেচনা করলে তা কল্যাণ কাজে নিয়োজিত বা পরহিতকর পুরুষদেরই সবচেয়ে আকর্ষণীয় রূপে তুলে ধরে।

ভালোবাসা দিবসের নামে আপনার সন্তানেরা কি করছে (দেখুন ভিডিওতে )


sexghfhg ‘ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ‘। সারাবিশ্বের অনেক দেশের মতই আমাদের দেশে (কিছু ক্ষেত্রে প্রয়োজনের চেয়ে একটু বেশিই) মহাসমারোহে দিনটি পালন করতে যাচ্ছে লাখো বাঙ্গালী। আমরা বাঙ্গালী স্বভাবতই উৎসব প্রিয় । তবে দুঃখজনক ব্যাপার হল নিজের সংস্কৃতি আর ঐতিহ্য ভুলে বরাবরই পশ্চিমা বিশ্বের অনুকরনে নিজেদের বিলিয়ে দিতে একটু বেশিই উৎসাহী আমরা। এর সবচেয়ে বড় কারন আমরা বড় বেশি অনুকরণপ্রিয়।  যাই হোক নিজেও এই সংস্কৃতি ও কৃষ্টির অংশ হিসেবে অন্যের দোষ গুন খুজে সমালোচনা করার উদ্দেশ্য আমার নয়। শুরুতেই বলেছিলাম আধুনিকতার সংজ্ঞা কিছুতেই অশ্লীলতা নয় । বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে বিভিন্ন সম্পর্ককে মুল্যায়ন করে একজন আরএকজনের প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন করবে, এতে কোন বাধা বা সমালোচনার সুযোগ নেই । কিন্তু ভালোবাসা প্রকাশের ধরন যদি হয় প্রশ্নবিদ্ধ (!)তাহলে একটু দাঁড়ান,  আপনার সাথে একটু কথা আছে । ভালোবাসা দিবস নিয়ে আওয়ার  নিউজ বিডি’র পাঠকদের জন্য আজকের এই ফিচার । নিজে জানুন এবং অন্যকেও জানান প্রয়োজনীয় সতর্কতা এবং একটি সুস্থ্য সুন্দর  সমাজ নিশ্চিত করনে হয়ত কার্যকর একটি ফিচার ।

ভালোবাসা দিবসের ইতিকথা

ভালোবাসা দিবস বা সেন্ট ভ্যালেন্টাইন’স ডে (ইংরেজি: Valentine’s Day) (সংক্ষেপে ভ্যালেন্টাইন’স ডে নাম পরিচিত একটি বার্ষিক উৎসবের দিন যা ১৪ই ফেব্রুয়ারি প্রেম এবং অনুরাগের মধ্যে উদযাপিত করা হয়।এই দিনে মানুষ তার ভালোবাসার মানুষকে ফুল, চিঠি, কার্ড, গহনা প্রভৃতি উপহার প্রদান করে দিনটি উদযাপন করে থাকে।
২৬৯ সালে ইতালির রোম নগরীতে সেন্ট ভ্যালেইটাইন’স নামে একজন খৃষ্টান পাদ্রী ও চিকিৎসক ছিলেন। ধর্ম প্রচার-অভিযোগে তৎকালীন রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্রাডিয়াস তাঁকে বন্দী করেন। কারণ তখন রোমান সাম্রাজ্যে খৃষ্টান ধর্ম প্রচার নিষিদ্ধ ছিল। বন্দী অবস্থায় তিনি জনৈক কারারক্ষীর দৃষ্টিহীন মেয়েকে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলেন। এতে সেন্ট ভ্যালেইটাইনের জনপ্রিয়তার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজা তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। সেই দিন ১৪ই ফেব্রুয়ারি ছিল। অতঃপর ৪৯৬ সালে পোপ সেন্ট জেলাসিউও ১ম জুলিয়াস ভ্যালেইটাইন’স স্মরণে ১৪ই ফেব্রুয়ারিকে ভ্যালেন্টাইন’ দিবস ঘোষণা করেন। খৃষ্টান জগতে পাদ্রী-সাধু সন্তানদের স্মরণ ও কর্মের জন্য এ ধরনের অনেক দিবস রয়েছে। যেমন: ২৩ এপ্রিল – সেন্ট জজ ডে, ১১ নভেম্বর – সেন্ট মার্টিন ডে, ২৪ আগস্ট – সেন্ট বার্থোলোমিজম ডে, ১ নভেম্বর – আল সেইন্টম ডে, ৩০ নভেম্বর – সেন্ট এন্ড্রু ডে, ১৭ মার্চ – সেন্ট প‌যাট্রিক ডে।
পাশ্চাত্যের ক্ষেত্রে জন্মদিনের উৎসব, ধর্মোৎসব সবক্ষেত্রেই ভোগের বিষয়টি মুখ্য। তাই গির্জা অভ্যন্তরেও মদ্যপানে তারা কসুর করে না। খৃস্টীয় এই ভ্যালেন্টাইন দিবসের চেতনা বিনষ্ট হওয়ায় ১৭৭৬ সালে ফ্রান্স সরকার কর্তৃক ভ্যালেইটাইন উৎসব নিষিদ্ধ হয়। ইংল্যান্ডে ক্ষমতাসীন উৎসব পিউরিটানরাও একসময় প্রশাসনিক-ভাবে এ দিবস উদযাপন করা থেকে বিরত থাকার জন্যে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এছাড়া অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি ও জার্মানিতে বিভিন্ন সময়ে এ দিবস প্রত্যাখ্যাত হয়। বর্তমানকালে, পাশ্চাত্যে এ উৎসব মহাসমারোহে উদযাপন করা হয়। যুক্তরাজ্যে মোট জনসংখ্যার অর্ধেক প্রায় ১০০ কোটি পাউন্ড ব্যয় করে এই ভালোবাসা দিবসের জন্য কার্ড, ফুল, চকোলেট, অন্যান্য উপহার সামগ্রী ও শুভেচ্ছা কার্ড ক্রয় করতে, এবং আনুমানিক প্রায় ২. ৫ কোটি শুভেচ্ছা কার্ড আদান-প্রদান করা হয়।
এবার আসি মূল প্রসঙ্গে:
ভালোবাসা মানে হল হৃদয় এর মানুষটিকে প্রাণ উজাড় করে ভালোবাসা। যদিও ভালোবাসার মানুষটিকে ৩৬৫ দিনই ভালবাসতে হবে। এর পরও একটি বিশেষ দিনকে (১৪ ফেব্রুয়ারি) উপলক্ষ হিসেবে ধরে প্রেমিক প্রেমিকারা ভালোবাসা দিবসটি উদযাপন করেন।
এখন চলুন কিভাবে বাংলাদেশে দিবসটিকে কিভাবে উদযাপন করা হয় তার কয়েকটি বাস্তব চিত্র দেখিঃ
দিন বদলের সাথে সাথে ছেলে মেয়েরা আধুনিক হচ্ছে। ভালোবাসা দিবসকে উপলক্ষ করে প্রেমিকের সাথে লঙ ড্রাইভ, রেস্টুরেন্টে খেতে যাওয়া, ফুল কার্ড দিয়ে সেলিব্রেট করা এতটুকু আমার কাছে স্বাভাবিক। কিন্তু শুধু তাই কি? না। বাস্তবের চিত্র ভিন্ন। চলুন জানি ভালোবাসা দিবস পালনের নামে ঐ দিনে কি কি নোংরামি হয়। বাস্তবতার প্রেক্ষিতে উল্লেখ যোগ্য ৩ টি নোংরামির কথা ব্যাখ্যা করা হলোঃ
এখনকার যুগের ছেলে মেয়েরা হোটেল ডেট নামক শব্দটির সাথে বেশ পরিচিত। ভালোবাসা দিবসকে উপলক্ষ করে প্রেমিকের সাথে হোটেলে ডেটিং করতে যায়। তরুণী ! তুমি কি ফ্রি-সেক্সে বিশ্বাস কর? যদি না কর তাহলে বল যে ছেলেটির সাথে হোটেলে ডেটিং করতে গেছ সে তোমাকে বিয়ে করবে তার নিশ্চয়তা কি? কাল যদি তার সাথে তোমার ব্রেক আপ হয়ে যায় তখন কি করবে? অন্য একটি ছেলের সাথে প্রেম করবে? এভাবে ! কি চলে ? জীবনটিকে ধ্বংস করে দিবে? তোমার মা-বাবার স্বপ্ন তুমি ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার-ব্যারিস্টার হবে? সে স্বপ্ন এর কি হবে? যে মা তোমাকে ১০ মাস ১০ দিন গর্ভধারণ করে নির্মম প্রসব বেদনা সহ্য করেছেন অসহনীয় যন্ত্রণা ভোগ তোমাকে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছেন, যে বাবা তোমাকে মানুষ করার জন্য নিজের রক্ত পানি করেছেন অথবা এখনো করছেন তাদের অপমান করার ও সমাজে হেয় করার অধিকার তোমাকে কে দিয়েছে? একবার ভেবে দেখ, একবার মা-বাবার মুখটি মনে করে দেখ । তাদের বিশ্বাসের সাথে প্রতারণা করতে লজ্জা করবেনা?
সিসা বার এ গিয়ে আধুনিকতার নামে নেশাগ্রস্ত হয়ে মা-বাবাকে কষ্ট দেওয়াঃ মন্ত্রী এম.পি দের মদদে ঢাকা- চট্টগ্রামে সিসা বার খুলে রেখেছে তথা কথিত ব্যবসায়ীরা ।
এসব সিসা বারে সন্ধ্যার পর তরুণ-তরুণীরা সিসা আর সিগারেটের ধোয়ায় নিজেকে হারিয়ে ফেলে এক অজানা রাজ্যে। আধুনিকতার নামে স্কুল পার হয়ে কলেজে যাওয়ার পর এখনের ছেলে মেয়েদের বয় ফ্রেন্ড গার্ল ফ্রেন্ড জুটে যায়। ১ দিন ২ দিন ৩ দিন যাওয়ার পর পরিপূর্ণ ভাবে নেশা গ্রস্ত হয়ে পড়ে। জন্ম নেয় এক একজন ঐশীর । যে কিনা নেশা করতে করতে এতটাই আসক্ত হয়ে যায় যে নিজের মা-বাবাকে হত্যা করতে দ্বিধাগ্রস্ত হয়না। ছেলে মেয়েরা নেশা গ্রস্ত হলে মা বাবা কত কষ্ট পান তা শুধু মাত্র নেশা গ্রস্ত ছেলে মেয়েদের পিতা মাতারাই অনুভব করতে পারে।
ভ্যালেন্টাইন’স ডে উপলক্ষে আয়োজন করা হয় ডি জে পার্টির। সে সব পার্টিতে আয়োজকরা নিজেদের ব্যবসার জন্য ভাড়া করে আনে কল গাল। ভাড়া কোরে আনে কিছু হাই সোসাইটি গার্লও। থাকে দেশী বিদেশী মদ। সে পার্টিতে কিছু স্পেশাল টিকেট থাকে অনেক স্পেশাল টিকেট।
যে টিকেট গুলোর দাম প্রায় ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। ৫০ হাজার টাকা দিয়ে টিকেট কিনলে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়। সুবিধা গুলোর
মধ্যে একটি হলো পার্টি শেষে শহরের হাই সোসাইটি গার্ল দের সাথে রাত্রি যাপন। সে হাই সোসাইটি গার্লরা কল গার্ল না। খুব খেয়াল !!
এরা কোন ভদ্র ফ্যামিলির সন্তান। কোন সভ্য শিক্ষিত মা-বাবার কলিজার টুকরো। শুধু মাত্র নেশাগ্রস্ত হয়ে যাওয়ার কারণে নিজের নেশার চাহিদা মেটাতে এক রাতের জন্য নিজেকে বিক্রি করে। আরও বেশি টাক দিলে পাওয়া যায় মেয়ে ডিজেদের। ডিজে সোনিকার সুমধুর ডিজের ঝংকারে কিছুক্ষণের মধ্যে নাচতে নাচতে তাল হারিয়ে ফেলে তরুণ তরুণীরা। শুরু হয় নোংরামি। ডি জে পার্টি গুলোর কমন দৃশ্য হচ্ছে একটা গ্রুপে ১০ -১৫ টা ছেলে থাকে মাঝখানে ২-৩ টা মেয়ে থাকে। তারপর দল বেঁধে নাচে।
 
Blogger Templates